শর্তাবলী

শর্তাবলী -মিলভিক লাইফ:

  • রেজিস্ট্রেশনের সময়ে গ্রাহকের বয়স ১৮- ৫৯ (দ্বি-বার্ষিক, মাসিক ও দৈনিক- এর ক্ষেত্রে ১৮-৫৮) বছরের মধ্যে হতে হবে।   তবে নিবন্ধনের পরে, গ্রাহকরা ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কভারেজের জন্য যোগ্য থাকবেন।
  • গ্রাহকের বাবা, মা, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন এবং ছেলে-মেয়ে জীবনবীমায় নমিনী হতে পারবেন।
  • নিচে বর্ণিত সময়ের প্রেক্ষিতে গ্রাহকের বীমা নিশ্চয়তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে,
  • – গ্রাহকের বয়স ৬০ বছর অতিক্রম করে গেলে
  • – বীমা দাবির পর নমিনী বীমার টাকা গ্রহণ করলে
  • গ্রাহক যদি ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক / কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, স্ট্রোক (যার ফলে শরীরে স্থায়ী লক্ষণ রয়েছে), অঙ্গ ক্ষতি / অঙ্গহানী বা অন্য কোনও টার্মিনাল অসুস্থতা (আয়ুষ্কাল ১২ মাসের কম) দ্বারা আক্রান্ত থাকেন তাহলে পলিসি কেনার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
  • যোগ্য গ্রাহকদের পলিসি রেজিস্ট্রেশন এর সময়ে অবশ্যই একটি স্বাস্থ্য ঘোষণা ফর্ম পূরণ করতে হবে।
  • নিবন্ধনের তারিখ থেকে প্রথম ৩ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে বীমা দাবি করা যাবে না।
  • প্যাকেজ রেজিস্ট্রেশনের প্রথম তিন মাসের মধ্যে পূর্বে বিদ্যমান রোগের কারণে মৃত্যু হলে তা কভারেজের আওতাভুক্ত হবে না।
  • যুদ্ধ, বিদেশী শত্রুর আক্রমণ, শত্রুতা বা যুদ্ধবিরোধী অভিযান (যুদ্ধ ঘোষণা হোক বা না হোক), গৃহযুদ্ধ, বিদ্রোহ, ধর্মঘট, দাঙ্গা, নাগরিক উত্তেজনা, সামরিক উত্থান, বিদ্রোহ, ষড়যন্ত্র, বিপ্লব, সামরিকভাবে ক্ষমতা দখল- এ ধরণের  কারণে মৃত্যু হলে বীমা দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না।
  • আত্মহত্যা বা স্বেচ্ছাকৃত আঘাতের কারণে মৃত্যু হলে বীমা দাবি করা যাবে না
  • পারমাণবিক, জৈবিক এবং রাসায়নিক ঝুঁকি এবং ক্ষতির কারণে মৃত্যু হলে বীমা দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না
  • গ্রাহক মৃত্যুর ৯০ দিনের মধ্যে নমিনীকে বীমা দাবি করতে হবে। দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ১৮০ দিন পার হয়ে যাওয়ার পর যদি গ্রাহক মারা যান, তাহলে সেটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হিসেবে গণ্য হবে না এবং শুধুমাত্র স্বাভাবিক মৃত্যুবীমার জন্য দাবি করা যাবে।
  • বীমা দাবির ক্ষেত্রে, মৃত্যু সনদপত্র একজন এমবিবিএস ডাক্তার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা সরবরাহ করা প্রয়োজন (হাসপাতালে মৃত্যুর ক্ষেত্রে) অন্যথায় সিটি কর্পোরেশন / ইউনিয়ন কাউন্সিল অফিস কর্তৃক জারিকৃত মৃত্যুর সনদপত্র প্রদান করতে হবে।

 

শর্তাবলী -মিলভিক হেলথ:

  • রেজিস্ট্রেশনের সময় গ্রাহকের বয়স ১৮ থেকে অনূর্ধ্ব ৬৪ বছর হতে হবে। গ্রাহকের বয়স ৬৯ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি বীমা সুবিধার আওতায় থাকবেন।
  • গ্রাহকের বাবা, মা, স্বামী/ স্ত্রী ১৮ থেকে অনূর্ধ্ব ৬৪ বছরের মধ্যে বীমা সুবিধায় অংশীদার হতে পারবেন এবং তাদের বয়স ৬৯ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বীমা সুবিধার আওতায় থাকবেন। গ্রাহকের সন্তানের ক্ষেত্রে নবজাতক থেকে অনূর্ধ্ব ১৯ বছরের মধ্যে তাদের বীমা সুবিধায় অংশীদার করা যাবে এবং তাদের বয়স ২১ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তারা বীমা সুবিধার আওতায় থাকবেন।
  • মাসিক ও দৈনিক সেবার ক্ষেত্রে সেবা চালু করার পরবর্তী মাসে ১ তারিখ থেকে বীমা সুবিধা চালু হবে। তবে এক্ষেত্রে শুধু দুর্ঘটনাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হলে বীমা দাবি করা যাবে। এছাড়া অন্য কারণে হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রে সেবা চালু করার এক মাস অতিক্রম হলে বীমা দাবি করা যাবে।
  • পূর্বে আক্রান্ত রোগের ক্ষেত্রে সেবা চালু করার ছয় মাস পর থেকে এবং মাতৃত্বজনিত কারণে সেবা চালুর এক বছর পর থেকে বীমা দাবি করা যাবে।
  • দৈনিক সেবার ক্ষেত্রে প্রতিদিন সার্ভিস চার্জ কাটা হবে। নির্দিষ্ট সময়ে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলে ঐ দিনের চার্জ আর প্রদানের সুযোগ থাকবে না। যে কোনো মাসে যতদিন সার্ভিস চার্জ কাটা যাবে, সেই অনুপাতে পরের মাসের কভারেজ হিসাব করা হবে।
  • মাসিক সেবার ক্ষেত্রে প্রতি মাসের নির্ধারিত দিনে সার্ভিস চার্জ কাটা হবে। নির্ধারিত দিনে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলে তার ৩ দিন পর, অনাদায় আরও ৩ দিন পর সার্ভিস কাটার প্রচেষ্টা করা হবে। যদি কোনো মাসে টাকা কাটা না যায়, তাহলে পরের মাসে গ্রাহক কোনো কভারেজ পাবেন না।
  • লেজার ট্রিটমেন্ট, কসমেটিক সার্জারির (দুর্ঘটনাজনিত কারণ ব্যতিত) কারণে হাসপাতালে ভর্তি হলে কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে না।
  • হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বীমা দাবি করতে হবে।